আইনি তথ্য

ডেলিভারি নীতি

সেলিফাই-চালিত স্টোরগুলোতে অর্ডার প্রসেসিং, কুরিয়ার সমন্বয় এবং ডেলিভারি প্রত্যাশা কীভাবে পরিচালিত হবে, তার একটি বাংলা নীতিমালা।

সর্বশেষ হালনাগাদ: ১৮ আগস্ট ২০২৬

১. এই নীতি কার জন্য

সেলিফাই নিজে পণ্য বিক্রি বা সরবরাহ করে না; এটি মার্চেন্টদের জন্য একটি কমার্স প্ল্যাটফর্ম। তাই ডেলিভারি, স্টক, প্যাকেজিং এবং কুরিয়ার সমন্বয়ের প্রধান দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মার্চেন্টের।

এই নীতির উদ্দেশ্য হলো সেলিফাই ব্যবহারকারী ব্যবসাগুলোকে একটি স্বচ্ছ ডেলিভারি কাঠামো উপস্থাপন করা।

২. অর্ডার প্রসেসিং

মার্চেন্টদের উচিত অর্ডার পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করা, অর্ডার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ে প্যাকেজ প্রস্তুত করা।

স্টক স্বল্পতা, ভুল ঠিকানা, গ্রাহকের অননুমোদন বা কুরিয়ার সীমাবদ্ধতার কারণে অর্ডার বিলম্বিত বা বাতিল হতে পারে।

৩. আনুমানিক ডেলিভারি সময়

শহরভেদে, কুরিয়ারভেদে এবং পণ্যের ধরন অনুযায়ী ডেলিভারি সময় পরিবর্তিত হতে পারে। মার্চেন্টদের উচিত পেজ, চেকআউট বা অর্ডার কনফার্মেশন পর্যায়ে সম্ভাব্য সময়সীমা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা।

  • ঢাকার মধ্যে: সাধারণত ১ থেকে ৩ কর্মদিবস
  • ঢাকার বাইরে: সাধারণত ২ থেকে ৫ কর্মদিবস
  • বিশেষ এলাকা বা ব্যস্ত মৌসুমে সময় আরও বেশি লাগতে পারে

৪. কুরিয়ার ও ট্র্যাকিং

মার্চেন্ট যদি কুরিয়ার পার্টনার ব্যবহার করেন, তাহলে ট্র্যাকিং, রিটার্ন, ডেলিভারি ব্যর্থতা এবং পুনঃপ্রচেষ্টার নিয়ম সেই কুরিয়ারের নিজস্ব নীতির ওপর নির্ভর করতে পারে।

সেলিফাই কুরিয়ার ইন্টিগ্রেশন বা ওয়ার্কফ্লো সহজ করতে পারে, তবে প্রকৃত ডেলিভারি কার্যক্রমের ফলাফলের জন্য সরাসরি দায় বহন করে না।

৫. গ্রাহকের দায়িত্ব

গ্রাহককে সঠিক নাম, মোবাইল নম্বর ও ডেলিভারি ঠিকানা প্রদান করতে হবে। যোগাযোগে সাড়া না দিলে, ভুল তথ্য দিলে বা ডেলিভারি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে অর্ডার বাতিল বা রিটার্ন হতে পারে।

৬. ক্যাশ অন ডেলিভারি ও রিটার্ন

ক্যাশ অন ডেলিভারি, অগ্রিম পেমেন্ট, আংশিক পেমেন্ট, ডেলিভারি চার্জ এবং রিটার্ন নীতি মার্চেন্টভেদে আলাদা হতে পারে। তাই মার্চেন্টদের উচিত এসব শর্ত তাদের নিজস্ব পেজে পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করা।

রিটার্ন বা রিফান্ডের ক্ষেত্রে মার্চেন্টের প্রকাশিত নীতিই অগ্রাধিকার পাবে, যদি তা প্রযোজ্য আইনবিরোধী না হয়।